Connect with us

সারাদেশ

বড়দিয়া হাইস্কুলের ছাত্রের অভিযোগে অভিভাবকের বেধড়ক মারপিটের শিকার স্কুলের দপ্তরী

Published

on

মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইল:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরীকে মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশির কুমার দাশ (৫০) কালিয়া উপজেলার শুড়িগাতী গ্রামের মৃত,মহিন্দির দাশের ছেলে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,অষ্টম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্র মোঃ ইয়াছিন মোল্যা ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে স্কুল থেকে ছুটি নেয়।

 

কিন্তু স্কুল গেইটে পৌছালে শিশির কুমাুর দাশ (দপ্তরী) তাকে বাঁধা দেয় এবং স্কুল ফাকি দেওয়ায় শাসন করে। অতঃপর ঐ ছাত্র তার বাবা ইমরান হোসেনকে জানালে তিনি কাঠের ডাসা দিয়ে শিশিরকে বেধড়ক মারপিট করেন। স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে কালিয়া উপজেলা সাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

 

ওই শিক্ষার্থীর বাবা ইমরান হোসেন এপ্রতিবেদক কে জানান,আমার ছেলে দির্ঘদিন ধরে অস্থ্য আজ দাক্তার দেখানোর কথা দুপুর ১:৩০ মিনিটের সময়,এসময় স্কুলে শিক্ষক না থাকায় আমার ছেলে আরেক জন দপ্তরীর কাছথেকে ছুটি নিয়ে দাক্তার দেখাতে স্কুল গেট দিয়ে বের হচ্ছিল,তখন দপ্তরী শিশির দাশ আমার ছেলেকে বের হতে দেইনি এবং তাকে চড় মেরেছে,আমার ছেলে বাড়ি ফিরে এসে আমাকে বল্লে আমি রাগ সামলাতে না পেরে ওই দপ্তরীর কাছে শুনতে গেলে শিশির দাশ আমার সাথেও খারাপ আচরন করেন,এই নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমি শিশির দাশ কে লাঠি দিয়ে দুইটা বাড়ি দিয়েছি বলেও তিনি জানান।

 

এদিকে শিশির দাশ জানান,আমি স্কুল গেটে ডিউটি করছিলাম যাতে টিফিনের সময় কোন ছাত্র-ছাত্রী স্কুল ফাকি দিয়ে বাড়িতে না যেতে পারে এই কারনে স্কুল কমিটির দায়ীত্ব পালন কালে ওই ছাত্র ইয়াছিন শিক্ষকদের ছুটি ছাড়া বাইরে বের হবে বলে গেটে আসে এবং আমি বাইরে যেতে না দেওয়ায় আমার সাথে বাজে ব্যবহার করে এবং আমার সাথে বাইরে যাওয়ার জন্য এক পর্যায় ধাক্কা ধাক্কি শুরু করে এবং যোর করে স্কুল থেকে বেরিয়ে যায়।

 

 

কিছুক্ষন পরে আমি স্কুল গেট থেকে লাইব্রেরির দিকে যাওয়ার সময় পিছন থেকে হঠাৎ এলোপাতাড়ী ভাবে কাঠের ডাসা দিয়ে আমাকে মারপিট শুরু করে,আমার আন্তচিৎকারে আশে পাশের লোক সহ শিক্ষরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়,পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কালিয়া উপজেলা সাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন,ইয়াছিন মোল্যার অভিভাবক এমন নেক্কার জনক ঘটনা ঘটিয়ে চরম অপরাধ করেছে। আমি দপ্তরীদের কোন ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ফাকি দিয়ে যাওয়া বা বাইরের অসাস্থকর খাবার খাওয়ার জন্য বাহিরে বের হওয়া নিষেধ করা হয়েছে। এজন্য স্কুলের দপ্তরী শিশির দাশ কে আমাদের অনুমতি দেয়া আছে।

 

আমি আমার ম্যানেজিং কমিটির সাথে জরুরী মিটিং ডেকে এ বিষয়ে আলোচনা করবো বরেও তিনি জানান। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলঙ্গীর হোসেন জানান,এ ঘটনায় আমাকে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন,কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি লিখিত অভিযোগ পেলে,আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: