বগুড়ায় কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় পরিবেশ ও গবাদীপশুর ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগ

সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

News Headline :
তৃণমূল থেকে উঠে আশা জালাল উদ্দীন বেল্লাল টাঙ্গাইলে দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি লালমোহনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সরকার বিশ্বে মর্যাদার আসন ধরে রেখে দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে : সাংসদ বাবু  কয়রায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন  যশোরে নিখোঁজ সেনা সদস্য নববধূসহ আটক কুড়িগ্রামের উলিপুরে চ্যানেল এস এর সাংবাদিকের ইন্তেকাল মান্দায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা: আটক ১ গাইবান্ধা তিন আসনের সংসদ সদস্য বলেছেন স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভোলায় দরিদ্র নারীদের মাঝে মুরগী ও খাঁচা বিতরন

বগুড়ায় কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় পরিবেশ ও গবাদীপশুর ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় মোটরযানের পুরাতন ব্যাটারীর শীষা গলানো কারখানায় ক্ষতিকারক বিষাক্ত কেমিকেলের ধোঁয়ায় আবাদী জমি-জমার ক্ষয়ক্ষতি, শিশুদের অসুস্থ্যতাসহ পরিবেশ বিপর্যস্তের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, উপজেলার মোকমতলা ইউনিয়নের মাঝপড়া, পার আচঁলাই, মুরাদপুর এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে পুরাতন ব্যাটারীর শীসা গলানো কারখানা।

 

যার বিষাক্ত ধোঁয়ায় এলাকার আবাদী জমি-জমার ফসলাদিসহ পরিবেশ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে এলাকার ফরিদুল ইসলাম বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগসূত্রে জানা যায়, রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কারখানায় ব্যাটারীর শীষা গলানো হয়। শীসা গলানোর সময় পুরো এলাকা বিষাক্ত ধোয়ায় অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ধোয়ার ঝাঁঝ ও দূর্গন্ধে প্রায়ই অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে এলাকার শিশুরা।

 

আরও জানা যায়, কেমিকেলের ধোয়ার প্রভাবে আশেপাশের আবাদী জমিতেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার পর জমিতে রাখা খরগুলি কেমিকেলের ধোয়ায় বিষাক্ত হয়ে যায়। সেই খরগুলি গরুকে খাওয়ানোর ফলে এলাকার প্রায় ১০টি গরু অসুস্থ্যতার একপর্যায়ে ইতিমধ্যে মারা গেছে। যার মধ্যে গত ৭ জানুয়ারী এলাকার আব্দুল ওয়াহাব ও ফরিদুলের দুটি অন্ত:সত্ত্বা গাভী মুখ দিয়ে লালা ও রক্ত পড়ে মারা যায়, যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষ টাকা।

 

এছাড়াও বর্তমান অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে বেশ কিছু গবাদীপশু। এলাকাবাসীর পক্ষে ফরিদুল ইসলাম উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওসি, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন। ফরিদুল ইসলাম এ প্রতিবেদক-কে বলেন, কারখানার বিষাক্ত কেমিকেলের ধোয়ায় পরিবেশসহ আশেপাশের সবকিছু বিষাক্তে পরিণত হয়েছে। যার ফলে নিয়মিত গৃহপালিত পশু পাখী মারা যাচ্ছে। বিষাক্ত ধোয়ার কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে এবং সর্দি-কাশিসহ বিবিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

কারখানার মালিক হারুনুর রশিদ এ প্রতিবেদক-কে বলেন, আমার কারখানার আশেপাশের কোন জমির ফসলের ও পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয়নি। একটি মহল আমার প্রতি ঈশ্বাম্বিত হয়ে হয়রানীমূলকভাবে এমন অভিযোগ করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর এ প্রতিবেদক-কে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই অনেকে অনেক ভাবে অভিযোগ দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media











© AMS Media Limited
Developed by: AMS IT BD