বগুড়ায় ধর্ষণে জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না

সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
তৃণমূল থেকে উঠে আশা জালাল উদ্দীন বেল্লাল টাঙ্গাইলে দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি লালমোহনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সরকার বিশ্বে মর্যাদার আসন ধরে রেখে দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে : সাংসদ বাবু  কয়রায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন  যশোরে নিখোঁজ সেনা সদস্য নববধূসহ আটক কুড়িগ্রামের উলিপুরে চ্যানেল এস এর সাংবাদিকের ইন্তেকাল মান্দায় ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা: আটক ১ গাইবান্ধা তিন আসনের সংসদ সদস্য বলেছেন স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভোলায় দরিদ্র নারীদের মাঝে মুরগী ও খাঁচা বিতরন

বগুড়ায় ধর্ষণে জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না

বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার ধুনটে নানা-নাতির ধর্ষণে জন্ম নেওয়া স্কুলছাত্রীর পুত্রসন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না। ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন ধর্ষক নানা ও নাতির ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিয়িক এসিড) পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্ত তাদের ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের সাথে স্কুলছাত্রীর সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না। ফলে থানা পুলিশ স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও ভিকটিমকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণে জন্ম নেওয়া সন্তানের মা স্কুলছাত্রী উপজেলার ছোট চিকাশি-মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা চিকাশি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। মেয়েটির মা-বাবার দীর্ঘদিন আগে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর মেয়েটির মা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। আর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করে। মেয়েটির মা-বাবা থেকেও যেনো নেই। তাই একই এলাকার কৈয়াগাড়ি গ্রামে নানা রশিদ মন্ডলের বাড়িতে আশ্রয় নেয় মেয়েটি। সেখান থেকে স্থানীয় বালিকা বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। স্কুলে যাতায়াতের পথে পার্শ্ববর্তী রঘুনাথপুর গ্রামের অফফের আলীর ছেলে বকুল হোসেন (২৩) এর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল বিকেলে বকুল মেয়েটির ঘরে ঢুকে ধর্ষণের সময় ধরে ফেলে নানা। ঘটনাটি প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে নানা রশিদ মন্ডলও নাতনিকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার বাবা বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় মেয়েটির নানা রশিদ মন্ডল ও তার নাতি বকুল হোসেনকে আসামি করা হয়। এ অবস্থায় স্কুলছাত্রী ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। এই মামলার আসামি বকুল হোসেন ও রশিদ মন্ডল বগুড়া জেলা কারাগারে রয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীকে তার মা-বাবা হেফাজতে নিতে রাজী হয়নি। ফলে স্কুলছাত্রীকে রাজশাহী শিশু ও কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে (সেফহোম) রাখা হয়েছে। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন এ প্রতিবেদক-কে বলেন, ধর্ষণে জন্ম নেওয়া স্কুলছাত্রীর সন্তানের পিতৃপরিচয় সনাক্ত করতে রশিদ মন্ডল ও বকুল হোসেনের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্ত তাদের ডিএনএন পরীক্ষার প্রতিবেদনের সাথে সন্তানের পতৃপরিচয় মিলছে না। এরপর ওই স্কুলছাত্রী আরও এক যুবকের নাম প্রকাশ করেছে। তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্কুলছাত্রীর সন্তানের পিতৃপরিচয় জানতে ওই যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media











© AMS Media Limited
Developed by: AMS IT BD