কয়রায় এমপিওভুক্তির জন্য তালিকায় নাম, বাস্তবে নেই অস্তিত্ব

মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

কয়রায় এমপিওভুক্তির জন্য তালিকায় নাম, বাস্তবে নেই অস্তিত্ব

ওবায়দুল কবির(সম্রাট):খুলনা ব্যুরো :-এমপিওভুক্তির জন্য তালিকায় নাম আছে অথচ বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। খুলনার কয়রায় এমন ১টি মাদ্রাসার সন্ধান মিলেছে। সম্প্রতি ওই ইবতেদীয়া মাদ্রাসার নামে রিয়াজ, আরিফুল ইসলাম, রাকিব হোসেন, রিয়াদ হোসেন,আহাদুজ্জামান নামের পাঁচ পরীক্ষার্থী বাঁশকালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ইবতেদীয়া শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিলে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। ওই পরীক্ষার্থীরা প্রকৃতপক্ষে কুশোডাঙ্গা ইবতেদীয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বলে স্বীকার করেছেন কুশোডাঙ্গা তোফাজ্জেল হোসেন এতিম খানা শিক্ষাধীন শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হাফেজ আব্দুল হালিম ।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে প্রতিষ্ঠানে নেই শিক্ষক বা শিক্ষার্থী এমনকি ভবনের অস্তিস্ত ও পাওয়া যায় নি। অভিযোগ আছে এ প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে টাকার বিনিময়ে হচ্ছে নিয়োগ বাণিজ্য।

খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড তালিকা অনুযায়ী এখানে থাকার কথা কুশোডাঙ্গা আমিনিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদীয় মাদ্রাসা। কিন্তু সরজমিনে মেলেনি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা তাদের কার্যক্রম, নেই ভবন, শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী। সরজমিনে এলাকা বাসীর সাথে কথা হলে, স্থানীয় হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বলেন, দীর্ঘ দিন যাবত গোপনে এই মাদরাসা পরিচালিত হচ্ছে। মাদ্রাসার কোন অস্তিত্ব নেই। নেই কোন কার্যক্রম শুনেছি কয়েক জনের কাছ থেকে এমপিও ভুক্ত হবে বলে টাকা নিছে। জিনারুল ইসলাম বলেন, কুশোডাঙ্গা আমিনিয়া মাদ্রাসা নামে আছে, আমিনিয়া মাদ্রাসার কয়েক জন ছাত্র কুশোডাঙ্গা তোফাজ্জেল হোসেন এতিম খানায় পড়া শুনা করে আর ইবতেদীয়া শিক্ষা সমাপনি পরিক্ষা দিচ্ছে কুশোডাঙ্গা আমিনিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার হয়ে। এলাকাবাসীরা জানায়, এখানে কোনো ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নেই, কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীও নাই। শুধু ইবতেদীয়া মাদ্রাসার হয়ে এতিম খানায় ৬ জন ছাত্র পড়ছে। এটা নিশ্চিত করেন এতিম খানার সভাপতি সোহসিন। কুশোডাঙ্গা আমিনিয়া ইবতেদিয়া মাদ্রাসার পরিচালক ও সুপার আবুল হাশেমের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি বর্তমানে জেল হাজতে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বদলি জনীত কারনে পদটি শূন্য থাকায় উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার বলেন , এমন কোনো ঘটনা ঘটলে তার ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তালিকা যাচাই বাছাই করা হবে ।
সরকার নতুন যে নীতিমালা করছে সেই নীতিমালার ভিত্তিতে কার্যক্রম করা হবে। অস্তিত্ববিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম যদি হয়ে থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে সরেজমিনে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media










© AMS Media Limited
Developed by: AMS IT BD