কয়রায় সাংসদ সদস্য বাবুর নির্দেশনায় স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙ্গনে রিং বাঁধ সমাপ্ত

মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন

কয়রায় সাংসদ সদস্য বাবুর নির্দেশনায় স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙ্গনে রিং বাঁধ সমাপ্ত

কয়রা প্রতিনিধি:
সুপার সাইক্লোন ঘুর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ নদীর গোবরা ঘাটাখালি হরিণখোলা ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বেঁড়িবাধ সংস্কারের কাজ স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় স্থানীয় উপজেলা উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বিগত কয়েক দিন আগে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শুরু হওয়া রিং বাঁধ আজ সমাপ্ত হয়েছে। সাংসদ বাবুর নির্দেশনায় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জি এম মোহসিন রেজা ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সরদার এর উদ্যোগে ৩০ মে শনিবার ভোর থেকে দলীয় নেতা কর্মী সহ হাজারো মানুষের অংশ গ্রহণে রিং বাঁধ নির্মানে কাজ শুরু হয় গত কয়েক দিনের কষ্টে বাঁশের খুটি পুতে ও বালির বস্তা ফেলে বাঁধ দেওয়ার চেষ্ঠা দুপুর ১২টায় পানি আঁটতে সফল হয়।

সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুর হস্তক্ষেপে পানি উন্নয়ন বোর্ড ১লক্ষ প্লাস্টিক বস্তা, বাঁশ, দড়ি, পেরেক সরবরাহ করে। স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে মহারাজপুর, দক্ষিণ বেদকাশি ও কয়রা সদর এখন নদীর পানি ঢোকা বন্ধ আছে। কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জি এম মোহসিন রেজা বলেন, ঘুণিঝড় আম্পানের তান্ডবে নদীর ভেড়িবাধ ভেঙ্গে পানিতে ভিটেবাড়ি ঘরদোর, মৎস্য ঘেরে পানি ঢুকে সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। এর মধ্যে কিছু ধান্ধাবাজ এই ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে। এসব মুখোশধারী মানুষদের জঘন্ন হাস্যকর ফাজলামোতে নজর না দিয়ে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু’র নির্দেশনায় এলাকার সাধারন মানুষদের সাথে নিয়ে ঝুড়ি কোদাল আর বস্তা নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ভাঙ্গন কবলিত ভেড়িবাঁধের কাজ শুরু করেছি। এই কাজে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগসহ এলাকার হাজার মানুষ অংশ নেয়। সকলে যে ভাবে সাড়া দিয়েছে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ভেঁড়ী বাঁধের রিং বাধের কাজ করছে তাই আমরা দ্রুত পানি আটকাতে পেরেছি, আমরা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।তিনি আরও বলেন,বাঁধটি আপাততঃ সাময়িকভাবে রক্ষার জন্য দেয়া হয়েছে। আগামী গোনের আগে অতি দ্রুত এখানে সরকারিভাবে কাজ করা দরকার।

কাজ না করলে যে কোন সময় জোয়ারের পানি, বৃষ্টি-বাদল ও জলোচ্ছ্বাসে বাঁধটি পুনরায় ভেঙ্গে যেতে পারে। বাঁধ নির্মানের পর দুপুরে জোয়ারের বা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আর ভাঙ্গেনি। তখন এলাকার মানুষ মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করেন।তবে উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নে ৩ টি বিধ্বস্থ বেঁড়িবাঁধ আজও অরক্ষিত থাকায় এলাকার মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এবিষয় ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম জানান, তার ইউনিয়নে বেঁড়িবাঁধ ৫ টি স্থানে বিধ্বস্থ হয়, তবে দুটি ইতোমধ্যে রক্ষা করা গেলেও ৩ টিতে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। তিনি বলেন, গাজী পাড়া, হাজত খালী, কাশিরহাটখোলার বাঁধ দিয়ে জোয়ার ভাটা অব্যহত আছে। এবং স্থানীয়ভাবে চেষ্টা করেও পানি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।তিনি উদ্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্শন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media










© AMS Media Limited
Developed by: AMS IT BD