লক্ষ্মীপুরে মানছে না করোনার নির্দেশনা, বেড়েছে লোক সমাগম ও নির্মাণকাজ

বৃহস্পতিবার, ০৪ Jun ২০২০, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন

News Headline :
লালমোহনে সাংবাদিকের কাছে চাঁদা দাবী করল কথিক হোন্ডা নেতা সম্রাট বগুড়ায় এক প্রতিবন্ধী’র লাশ উদ্ধার কয়রায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন করলেন সাংসদ বাবু বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বগুড়ায় মানববন্ধন কয়রায় কৃষকের কাছ থেকে লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয় উদ্বোধন করলেন সাংসদ বাবু কয়রায় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে সাংসদ বাবু’র খাদ্য সামগ্রী বিতরন কয়রায় বানভাসি মানুষের পাশে মানব কল্যাণ ইউনিট কয়রায় সাংসদ সদস্য বাবুর নির্দেশনায় স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙ্গনে রিং বাঁধ সমাপ্ত কয়রায় স্বেচ্ছাশ্রমে বেঁড়িবাধ মেরামত করছে আওয়ামী লীগ ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলামের ব্যাপক চাঁদাবাজি, ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা

লক্ষ্মীপুরে মানছে না করোনার নির্দেশনা, বেড়েছে লোক সমাগম ও নির্মাণকাজ

মোঃআরিফ হোসেন,লক্ষ্মীপুর:
লক্ষ্মীপুরে করোনা বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা প্রথম দু-তিন দিন মানলেও এখন আর কেউ মানছে না।
শহর ও গ্রাম এলাকার রাস্তায়, পাড়ায়-মহল্লায়, চায়ের দোকানে চলছে আড্ডা-গল্প এবং বাসা-ভাড়ির নির্মাণকাজ।বর্তমানে সকাল থেকেই লক্ষ্মীপুর শহরের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় ও রাস্তায় লোকসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। বেশিরভাগ শহরের আশেপাশের অনেক দোকানপাট খোলা দেখা যায়।এমনকি সে সাথে চলছে বাসা-বাড়ির নির্মাণকাজ,মানচে না কেউ দূরত্ব।মানুষকে সচেতন হয়ে সতর্কতার সাথে সরকারি আদেশ নির্দেশ মানতে মাইকিং, লিফলেট দিয়ে প্রচারণা করলেও কেউ তোয়াক্কা করছে না এসবের। অনেকেই মনে করছে করোনাভাইরাস লক্ষ্মীপুরে নেই বা আক্রান্ত হবে না কেউ।লক্ষ্মীপুর শহরের মেঘনা রোড, কলেজ রোড, স্টেডিয়াম রোড, মজুপুর,কেন্দ্রীর বাড়ি,মোবারক কলোনী রোডসহ অনেক রোডে মানুষের সমাগম বেড়ে যায়। জরুরি দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অপ্রয়োজনীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা দেখা গেছে। অনেক জায়গায় চায়ের দোকান খোলা দেখা যায় এবং লোকসমাগমও ছিলো লক্ষ্যনীয়।
সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে। মানুষ কোন অবস্থাতেই ঘরে থাকছে না। বিভিন্ন এলাকায় যুব সমাজ খেলাধুলা করছেও দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এ নিরিবিলি সুযোগে করছে বহুতলা নির্মাণের কাজ। প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী ও সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করছেন। এসময় তারা জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটাচ্ছে, লিফলেট বিতরন করছে ও হ্যান্ড মাইকে সবাইকে বাড়িতে থাকার অনুরোধ করছে। অপ্রয়োজনে যাতে বাড়ি থেকে বের না হয় সে বিষয়ে বলছে। কিন্তু কে শুনে কার কথা। প্রশাসন চলে আসলে আবার তাদের জমায়েত, আড্ডা, ঘুরাঘুরি শুরু হয়ে যায়।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফ জানান, করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে হলে সামাজিক দূরত্বতা কমাতে হবে। মানুষকে সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্বব্যাপি এই একই নির্দেশনা অবলম্বন করা হচ্ছে। লোকজন সরকারি নির্দেশ আদেশ না মানলে আমাদের বিপদে পড়তে হবে।
জেলা পুলিশ প্রশাসন জানান, জেলা পুলিশ শহর গ্রামে মাইকিং করে মানুষকে সচেতন করছে। শহর ও গ্রাম এলাকায় পুলিশ টহল দিয়ে সতর্কতা করেছে। কিন্তু পুলিশের কথা লোকজন শুনছে না। এর মধ্যে লোকজন যাতে ঘরে থাকে সেজন্য জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান খেটেখাওয়া মানুষদের মাঝে খাদ্রসামগ্রীও বিতরন করছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল বলেন, শহর কিংবা গ্রামে সর্বত্রই করোনার কারণে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জরুরি খাদ্য সামগ্রী বা ঔষধের দোকান ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। প্রতিনিহত আমাদের প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লোকজনকে সচেতন করছে। কিন্তু লোকজন যদি সচেতন না হয় তাহলে আইনপ্রয়োগ করেও লাভ হবে না। তাই সবার প্রতি আহবান থাকবে আপনার ঘরে থাকুন, দোকানপাট খুলবেন না, বাসা-বাড়ির নির্মাণকাজ গুলো ও কিছু দিনের জন্য বন্ধ রাখুন।অপ্রয়োজনে ও কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না।

Please Share This Post in Your Social Media










© AMS Media Limited
Developed by: AMS IT BD